‘আমার কোনো বিদেশি পাসপোর্ট নেই’

[ad_1]

বাংলাদেশ ছাড়া তার অন্য কোনো দেশের পাসপোর্ট নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়।

বিএনপি চেয়ারপাসন খালেদা জিয়ার ছেলে ও দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বাংলাদেশি পাসপোর্ট ত্যাগ নিয়ে আলোচনার মধ্যে সোমবার রাতে তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে একথা জানান তিনি।

তারেক রহমানের পাসপোর্ট বিতর্কে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য সংবলিত একটি সংবাদও নিজের ফেসবুক পেজে শেয়ার করে এসব কথা বলেন জয়।

তিনি লিখেছেন, সবার অবগতির জন্য জানিয়ে রাখি, আমার কোনো বিদেশি পাসপোর্ট নেই। যুক্তরাষ্ট্রে আমার স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি আছে। গর্বের সাথে আমার সবুজ বাংলাদেশী পাসপোর্ট দিয়েই আমি যাতায়াত করি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে রবিবার বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে যে বিএনপি নেতা তারেক রহমান বাংলাদেশের পাসপোর্ট হস্তান্তর করে তার নাগরিকত্ব বর্জন করেছেন।

এরপর শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। তারেকের ‘নাগরিকত্ব বর্জন, নিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছে সেটি প্রত্যাখ্যান করে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।

এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রধানমন্ত্রীর ছেলে জয় ও ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিকীর প্রসঙ্গ টেনে বলেন, পাসপোর্ট সারেন্ডার করে তারা, যাদের ছেলে-মেয়েরা বিদেশিদের বিয়ে করে বিদেশের নাগরিকত্ব নিয়েছেন। বিদেশে বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন।

এরপর সোমবার রাতে শাহরিয়ার আলম তার বাসায় পাল্টা এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, তারেক রহমান যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের কাছে তার পাসপোর্ট হস্তান্তর করেছেন। সেখান থেকে ওই পাসপোর্ট লন্ডনে বাংলাদেশের দূতাবাসে পাঠানো হয়েছে। পাসপোর্টগুলো এখন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে সেখানে রক্ষিত আছে।

শাহরিয়ার প্রশ্ন তোলেন, এর অর্থ কী দাঁড়ায়? … আমি মনে করি এটি হচ্ছে নাগরিকত্বকে অস্বীকার করা।

এরপর নিজের ফেসবুক পেজে জয় বিএনপির কড়া সমালোচনা করে লিখেছেন, বিএনপি সম্পূর্ণরূপে একটি অসৎ দলে পরিণত হয়েছে। তাদের কোনো কথাই আর বিশ্বাসযোগ্য না। এই সংবাদে আপনারা দেখতে পাবেন তারেক রহমান ও তার পরিবারের পাসপোর্টগুলোর কপি যা লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে হস্তান্তর করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কমনওয়েলথ সম্মেলনে যোগ দেবার জন্য ব্রিটেনে যাবার পরই তারেক রহমানের পাসপোর্ট বিতর্ক সামনে আসে।

[ad_2]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here