‘আসেন, সবাই মিলে একসাথে রাজনীতি করি’

0
657

[ad_1]

আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি জনসভা করতে চান জানিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য শামীম ওসমান বলেছেন, ‘ওই জনসভাটা এমনভাবে করতে চাই, যেটা দেখলে আমার নেত্রীর মনটা ভরে যায়। যাতে বলে, আমার নারায়ণগঞ্জের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা আছে একসাথে। ওই জনসভায় মেয়রসহ সবাইকে দাওয়াত দেব। দাওয়াত আজকের জনসভা থেকে দিলাম। মেয়রকে দিলাম। মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার ভাইকে দিলাম। খোকন, হাই ভাই, সব নেতাকে দাওয়াত দিলাম।’

তিনি বলেন, ‘আসেন, সবাই মিলে একসাথে, এক মঞ্চ থেকে রাজনীতিটা করি। আমি দোষ করলে আমাকে বাদ দিয়ে দেন। কিন্তু আওয়ামী লীগে সবাই একসাথে থাকি, আসেন। কিন্তু ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য, ক্ষমতাকে শক্তিশালী করার জন্য দয়া করে বিএনপি আর জামায়াত নিয়ে কইরেন না। কারণ এরা কিন্তু আপনাকেও পরে ছোবল দিবে। ওরা কিন্তু আপনাকে ছাড়বে না।’ শনিবার বিকেলে শহরের ইসদার ওসমানী স্টেডিয়ামে এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আইভীর উদ্দেশ্যে শামীম বলেন, ‘নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে ভয় দেখাতে চান? আপনি বাঘ আর বিড়ালের পার্থক্য বোঝেন না। এটা বাঘ, বিড়াল না। আর বাঘের ঘরে বাঘই জন্ম নেয়, বিড়াল জন্ম নেয় না। বাঘের মুখের সামনে হাত বেশি নাড়াইয়েন না। তারা (মামলার অভিযুক্তরা) ডাকলে শামীম ওসমান লাগবে না। দুই, চার, পঞ্চাশ এক লাখ লোক আসবে। তখন কিন্তু থামাইতে পারুম না।’

তিনি বলেন, ‘যারা আমার পরীক্ষিত নেতাকর্মী, যাদের নামে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে, তাদের নামে অভিযোগ দেয়ার আগে আপনার বুকটা একবার কাঁপা উচিত ছিল। কারণ তারা আপানার নির্বাচনের সময় অনেক পরিশ্রম করেছে।’

শামীম ওসমান বলেন, ‘নিজের পকেটের টাকা খরচ করে আমার দিকে এবং নেত্রীর দিকে তাকিয়ে কাজ করেছে। কার কথায় মামলা দিয়া ফালাইলেন? কোন কর্মীর নামে মামলা দিলেন? যেসব কর্মীরা বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় ৫০টার বেশি করে মামলা খাইছে, যারা এত মামলা খাইয়াও মামলার গুষ্টি মারে নাই, আপনি মামলা দিয়া তাগো ভয় দেখাইতে চান, এগুলো ভয় পাওনের ছেলে নাকি? আপনি বাঘ আর বিড়ালের তৎফাত বোঝেন না। এটা বাঘ, এটা বিড়াল না। আর বাঘের ঘরে বাঘই জন্ম নেয়। বাঘের ঘরে বিড়াল জন্ম নেয় না।’

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘এমন কিছু কইরেন না, বাঘের মুখের সামনে হাত বেশি নাড়াইয়েন না। তারা কেউ কিন্তু রাস্তা থেকে উঠে এসে নেতা হয় নাই। কর্মীরা ভালবাসে বলেই তারা নেতা হয়েছে। শামীম ওসমানের প্রয়োজন নেই। তারা নিজেরা ডাকলেও দুই, চার, পঞ্চশ হাজার, এক লাখ লোক মাঠে নেমে আসবে। তখন কিন্তু থামাইতে পারব না।’

[ad_2]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here