কতদিন থাকবে বাধঁভাঙ্গা পরিবারের কান্না

0
25

ডিমলা উপজেলার তিস্তা নদী তীরবর্তী দক্ষিণ খড়িবাড়ী (মসজিদপাড়া) গ্রামের নদী রক্ষা বাধঁটি গতবছর বন্যায় ভেঙ্গে প্লাবিত হয়।

জানা গেছে, দক্ষিণড়িবাড়ী (মসজিদপাড়া) দুই শতাধিক পরিবারের বসতবাড়িতে বন্যার পানি প্রবেশ করে। অনেকের বাড়ি ভাসিয়ে নিয়ে যায়। দক্ষিণ খড়িবাড়ী গ্রামের নদীরক্ষা বাঁধ ভেঙে প্রায় দুই শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে। সেখানকার অনেক মৎস্য খামার বন্যার পানিতে প্লাবিত হওয়ায় মৎস্য খামারীরা এখন নিঃস্ব পড়েন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মসজিদপাড়া গ্রামের প্রায় ৮শ-১ হাজার লোকের বসবাস। কিন্তু গত এক বছর ধরে নদী রক্ষা রাস্তাটি হয়নি নির্মাণ । রাস্তাটি অলিয়ার রহমানের বাড়ির পাশে প্রায় ৫০/৬০ ফুট এলাকাজুড়ে ভেঙ্গে পানির স্রোত প্রভাবিত হয়। কিন্তু অদ্যাবধি মেরামত না করায় রাস্তায় যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা অলিয়ার রহমান, জাহাঙ্গীর ও আজিজার রহমান জানান, রাস্তাটি পরপর তিন জায়গায় বন্যার স্রোতে ভেঙ্গে গেলেও একটি মেরামত হলেও আমার বাড়ির পাশের ভাঙ্গাটি দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলে মেরামত করা হয়নি। আমরা একাধিক বার স্থানীয় ইউ.পি সদস্য ও চেয়ারম্যানের সাথে বসেছি তিনি আশ্বাস দিলেও রাস্তাটি এখন মেরামত হয়নি।

ওই গ্রামের বাসিন্দা এবং সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহীন বলেন, অতি তাড়াতাড়ি রাস্তা মেরামত করা না হলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে পুরো গ্রাম প্লাবিত হয়ে যাবে। উপজেলা প্রসাশন ও উধর্বতন কর্তৃপক্ষ যেন তাড়াতাড়ি রাস্তা মেরামতের ব্যবস্থা করে দেন।

এ ব্যাপারে টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ময়নুল হক বলেন, ভাঙ্গা রাস্তা গুলো মেরামতের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি, ওনার এসে পরিদর্শন করে গেছেন। কিন্তু কোন ফান্ড না থাকায় আমার ব্যক্তিগত টাকা দিয়ে রাস্তায় চলাচল উপযোগী করে তোলা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here