কলকাতার গণমাধ্যমে সমালোচনার মুখে ‘চালবাজ’

[ad_1]

২০ এপ্রিল কলকাতায় মুক্তি পেয়েছে বাংলাদেশের শাকিব খান ও কলকাতার জনপ্রিয় নায়িকা শুভশ্রী অভিনীত চলচ্চিত্র ‘চালবাজ’। ছবিটি পরিচালনা করেছেন জয়দীপ মুখার্জি।আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশেও ছবিটি মুক্তি কথা রয়েছে। ছবিতে আরো আছেন আশিস বিদ্যার্থী ও রজতাভ দত্ত। ছবিটি মুক্তি পেতে না পেতেই এর বিরুদ্ধে নকলের অভিযোগ উঠেছে। ছবিটি পর্যালোচনা করে কলকাতার আনন্দলোক লিখেছে:

অনেকগুলি বলিউড রোম্যান্টিক-কমেডি ছবির থেকে কিছু-কিছু ঘটনা তুলে যদি একটা গল্প বানানোর চেষ্টা হয়, আর সেটা যদি মিশে যায় দুর্বল অভিনয় ও একই ধরনের সংলাপের সঙ্গে, তাহলে যা তৈরি হয়, সেটাই হল ‘চালবাজ’।

কাকার বাড়িতে বড় হওয়া শ্রীজাতার (শুভশ্রী) বিয়ে ঠিক করা হয় তার উচ্চশিক্ষার স্বপ্নকে থামিয়ে দিয়ে। বিয়ের রাতেই বাড়ি থেকে পালিয়ে, লন্ডনে পুরনো প্রেমিকের কাছে চলে যায় শ্রীজাতা। গিয়ে জানতে পারে সেই ছেলেটির এক বিদেশিনী প্রেমিকা আছে। বিয়ে এবং বিদেশে পিএইচডি করার স্বপ্ন দুটোই ভেঙে যায় শ্রীজাতার। এমন সময়েই তার পরিচয় হয় টাকা রোজগারের জন্য গাড়ি চালক থেকে রাঁধুনী, সব রকম কাজ করা রাজার সঙ্গে (শাকিব খান)। রাজা ‘টাকার জন্য সব করতে পারে, কিন্তু নিজের কাছে নিজে ছোট হয়ে যায় এমন কিছু করবে না’ (ছবিতে শাকিবের সংলাপ)। শ্রীজাতা ও রাজা একসঙ্গে দেশে ফিরে এলে শুরু হয় নানা ঘটনা। শ্রীজাতার বাড়ির লোকজন রাজাকেই শ্রীজাতার বর ভেবে বসে।

চেনা ছকে বাঁধা হালকা মেজাজের রোম্যান্টিক কমেডি ছবি হতেই পারত ‘চালবাজ’। আর সেটা হলেই হয়তো ভাল হত। ছকের বাইরে বের হওয়ার জন্য কিছু দুঃখের মুহূর্ত ঢোকাতে গিয়েই তাল কাটল ছবির।

প্রথমত, অতিরিক্ত দীর্ঘ হয়ে যাওয়ায় মাঝে বেশ কিছু অংশ খুবই অপ্রয়োজনীয় লাগে। দ্বিতীয়ত, দুর্বল অভিনয়ের কারণে দৃশ্যগুলি ঠিক বিশ্বাসযোগ্যও হয়ে ওঠে না। শাকিবের মুখের অভিব্যক্তির কোনও বদল ঘটে না খুশির বা দুঃখের দৃশ্যে। গ্ল্যামার কুইনের অবতার থেকে বেরিয়ে আসার কোনও চেষ্টা দেখা যায় না শুভশ্রীর অভিনয়েও। রাজার সহায়কের ভূমিকায় রজতাভর অভিনয় স্বভাবতই ভাল।

এক কাপ চা বানাতেও জানে না সে, অথচ এক ব্যাগ হাতা-খুন্তি নিয়ে গোয়া থেকে লন্ডন চলে যায় রাঁধুনী হতে। রজতাভর কমিক টাইমিং নিয়ে আলাদা করে কিছু বলা নিষ্প্রয়োজন। শ্রীজাতার কাকার ভূমিকায় আশিস বিদ্যার্থীও ভাল।

সবশেষে বলা যায়, গল্পটি থেকে অনেক অংশ বাদ দিয়ে, হাসির সংলাপগুলি আরও বুদ্ধিদীপ্ত করে, আরও সহজভাবে গল্পটি বললে হয়তো আর একটু ভাল লাগত।

[ad_2]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here