চলে গেলেন আলী আকবর রুপু

[ad_1]

দেশের বরেণ্য সুরকার ও সংগীত পরিচালক আলী আকবর রুপু মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গীতিকার-সাংবাদিক কবির বকুল। গেল কয়েকদিন ধরে আলী আকবর রুপু রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন।

তিনি অনেক দিন থেকেই হৃদরোগে ভুগছিলেন। তার কিডনির সমস্যাও ছিল। মাস সাতেক ধরে তার কিডনির ডায়ালাইসিস চলছিলো।

এদিকে আলী আকবর রুপুর স্ত্রী নারগিস আকবর জানান, আজ বাদ আছর গুলশান আজাদ মসজিদে প্রথম জানাজা শেষে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে তার কর্মস্থল টিভি চ্যানেল বাংলাভিশন কার্যালয়ে। সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হবে রুপুর আবাসস্থল বড় মগবাজারের ডাক্তারের গলিতে। সেখানে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা শেষে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে।

নারগিস আকবর তার স্বামীর বিদেহী আত্মার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

প্রায় দুই যুগ ধরে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র অসংখ্য গানের সুর করছিলেন তিনি। উপহার দিয়েছেন বহু শ্রোতাপ্রিয় গান। উল্লেখযোগ্য গানের তালিকায় রয়েছে সাবিনা ইয়াসমিনের ‘প্রতিটি শিশুর মুখে হাসি’, এন্ড্রু কিশোরের ‘পদ্ম পাতার পানি নয়’, মুরাদের ‘আমি আগের ঠিকানায় আছি’ প্রভৃতি।

রুপুর শুরুটা গিটারিস্ট ও কিবোর্ড বাদক হিসেবে। ১৯৮০ সালে ‘একটি দুর্ঘটনা’ অ্যালবাম দিয়ে অডিও গানে তার অভিষেক ঘটে। প্রথম অ্যালবামেই তিনি বাজিমাত করেন। গানগুলো বেশ প্রশংসিত হয়।

১৯৮৪ সালে মালেক আফসারী পরিচালিত ‘রাস্তার ছেলে’ ছবিতে গান করেছেন বিখ্যাত এ সুরকার। তবে সর্বমোট পাঁচ-থেকে ছয়টি চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন তিনি। আব্দুল্লাহ আল মামুনের ‘দুই বেয়াইর কীর্তি’ তার সংগীত পরিচালনায় সর্বশেষ চলচ্চিত্র।

[ad_2]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here