Wednesday, October 13, 2021
Homeখবরপ্রায় ৩০০ শিল্পীর বিরুদ্ধে ‘ব্যবস্থা’ নিচ্ছে শিল্পী সমিতি

প্রায় ৩০০ শিল্পীর বিরুদ্ধে ‘ব্যবস্থা’ নিচ্ছে শিল্পী সমিতি

[ad_1]

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পূর্ণ সদস্য হতে হলে একজন শিল্পীকে নির্দিষ্ট কিছু যোগ্যতা অর্জন করতে হয়। প্রায় ৩০০ জন শিল্পীর সে ধরনের যোগ্যতা নেই বলে প্রমাণ পেয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি। আর এ কারণে সমিতি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন একজন নেতা।

১৮ ফেব্রুয়ারি, রবিবার বিকেলে প্রিয়.কমকে বিষয়টি জানিয়েছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সমিতির সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়ক জায়েদ খান।

এই নায়কের ভাষ্য, সমিতির নিয়ম অনুযায়ী পূর্ণ সদস্য হতে হলে একজন শিল্পীকে পাঁচটি (মুক্তিপ্রাপ্ত) গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করতে হয়। এ ছাড়া আরও বেশ কিছু নিয়ম রয়েছে। কিন্তু যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠেছে, তাদের কেউই সে নিয়মগুলো মেনে সদস্য হননি। এ কারণেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শিল্পী সমিতির এ নেতা বলেন, ‘যার কারণেই তাদের ডাকা হয়েছে, সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। সেখানে তারা যদি তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিরুদ্ধে যথাপোযুক্ত উত্তর দিতে পারেন, তাহলে তাদের পূর্ণ সদস্যপদ থাকবে। আর না হলে সমিতির সংবিধান (গঠনতন্ত্র) অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তখন তারা সহযোগী সদস্য হিসেবে থাকবেন। কিন্তু তারা ভোটাধিকার প্রয়োগের অধিকার হারাবেন।’

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির বর্তমানে সদস্য সংখ্যা ৬২৪ জন। সমিতির নেতারা খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছেন, বর্তমানে অনেকেই চলচ্চিত্রের নিয়মিত অভিনয়শিল্পী নয়। এমনকি একটি ছবিতে অভিনয় করে সদস্যপদ নিয়েছেন এমন সদস্যও আছেন। আবার অনেকে আছেন, যারা একটি ছবিতেও অভিনয় করেননি। এ কারণে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি সমিতির কক্ষে সেই সদস্যদের মধ্য থেকে ১০০ সদস্য ডাকা হয়েছে। এ ছাড়া পর্যায়ক্রমে অন্যদেরও ডাকা হবে।

এ বিষয়ে জায়েদ খান বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে এই অযোগ্য কিংবা বিতর্কিত সদস্যদের কারণে সমিতির স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ ছাড়া সমিতির যোগ্য সদস্যরা অযোগ্যদের কারণে নানাভাবে সম্মানহানির শিকারও হচ্ছেন। চলচ্চিত্রের উন্নতি এবং শিল্পীদের মান রক্ষার জন্য এই বিতর্ক থেকে বেরিয়ে আসা দরকার, যার কারণেই এমন সিদ্ধান্ত।’

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বিবার্ষিক (২০১৭-১৮) নির্বাচনে মিশা সওদাগর সভাপতি ও জায়েদ খান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। সভাপতি পদে মিশা সওদাগর পান ২৫৯ ভোট। অপরদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খান পান ২৭৯ ভোট।

শিল্পী সমিতির নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পরিচালক মনতাজুর রহমান আকবর।

নির্বাচনে কমিশনের সদস্য হিসেবে ছিলেন নাজমুল হুদা মিন্টু, পীরজাদা শহিদুল হারুন। আপিল বোর্ডে চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছেন নাসিরউদ্দিন দিলু, সদস্য খোরশেদ আলম খসরু ও শামসুল আলম।

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন প্রথম অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৪ সালে। সবশেষ গত বছর ১৪তম নির্বাচন সম্পন্ন হয়।

[ad_2]

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments