প্রিয়ার ‘ওরু আদার লাভ’ নির্মাতাকে পুলিশের নোটিস

[ad_1]

‘ওরু আদার লাভ’ ভারতের মালায়লাম ভাষায় নির্মিত একটি রোমান্টিক-কমেডি ঘরানার ছবি। চলতি বছরের ১৪ জুন সিনেমাটি মুক্তির কথা রয়েছে। ‘ওরু আদার লাভ’ এর বঙ্গানুবাদ করলে অর্থ দাঁড়ায় ‘সেরা প্রেমালাপ বা শ্রেষ্ঠ প্রেমালাপ’।আর সম্প্রতি নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়ে যাওয়া এ সিনেমার কিছু গানের দৃশ্যও সেই সেরা প্রেমালাপের ইঙ্গিতই দিচ্ছে। কিন্তু সেক্ষেত্রে মুখের চেয়ে চোখের ভাষাই নজড় কেড়েছে ভক্তদের।

প্রিয়া প্রকাশের চোখের চাহনি, পলক ফেলা দৃশ্য স্কুল-কলেজ পড়ুয়াদের প্রেমালাপের সেই আবেগ অনুভূতিকেই তুলে ধরেছে। আর এতেই সিনেমার চরিত্রগুলোও দারুণ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সবকিছুই ঠিকঠাক ছিল, কিন্তু এবার বিপত্তি বাধল গানের কথা গুলো নিয়ে।

মুসলিমদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করেছে প্রিয়া প্রকাশ ভারিয়েরের গান। এমন সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এবার ‘ওরু আদার লাভ’ ছবির পরিচালককে নোটিস পাঠিয়েছে পুলিশ। ভারতের হায়দ্রাবাদের ফলকনুমা পুলিশের তরফে পাঠানো হয়েছে নোটিস। একটি কপি ডাক মারফৎ পৌঁছাবে পরিচালক ওমর লুলুর কাছে। অন্যটি তাঁকে হাতেই ধরানো হবে। সেজন্য ফলকনুমা পুলিশের একটি দল কেরালার উদ্দেশে রওনা হয়ে গিয়েছে।

ওমর লুলুর ‘ওরু আদার লাভ’ ছবিতে অভিনয় করছেন প্রিয়া। সেখানেই রয়েছে ‘মাণিক্য মালারায়ি পুভি’ গানটি। ইতিমধ্যেই গানের তালে জনপ্রিয় হয়েছে ভারতের দক্ষিণী সিনেমার নবাগতা অষ্টাদশী কিশোরী অভিনেত্রী প্রিয়ার আঁখি পল্লবের ইশারা। নেটদুনিয়া কাঁপিয়ে সেই ভিডিও এখন ইউটিউবে ভাইরাল। রাতারাতি মহাতারকা বনে গেছেন প্রিয়া।

ইন্টারনেটে রাতারাতি সেনসেশন তৈরি করা প্রিয়ার আখির নাচনে এখন মাতোয়ার আট থেকে আশি। তবে গানের কথা নিয়ে অভিযোগ থাকলেও প্রিয়ার চাহনি নিয়ে কোনোরকম অভিযোগ কিন্তু ওঠেনি। তাই লাখ লাখ হৃদয় জিতেও ‘পদ্মাবতে’র পথ ধরেই বিতর্কের চূড়ায় উঠছে লুলুর ‘ওরু আদার লাভ’। যদিও বিতর্কে পাত্তা দিতে রাজি নন পরিচালক লুলু।

তাঁর স্পষ্ট দাবি, ওই গানে কোনো ভাবেই মুসলিম ভাবাবেগে আঘাত দেওয়া হয়নি। আদ্যপান্ত প্রেমের অনুষঙ্গে লেখা গানের কথা। তাছাড়া ১৯৭০ সাল থেকেই এই গানের জনপ্রিয়তা রয়েছে কেরলে। তাই কোনোভাবেই ইউটিউবে থেকে গানটি সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে না।

লুলুর এহেন ব্যাখ্যার পরে দুরকমের পন্থা নিয়েছে ফলকনুমা পুলিশ। ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৬০ ধারায় ফৌজদারি মামালা রুজু হয়েছে লুলুর বিরুদ্ধে। নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৫ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট গান কেন ছবিতে থাকবে তার ব্যাখ্যা দেবেন পরিচালক ওমর লুলু। সেই ব্যাখ্যা যদি কোর্টের কাছে সন্তোষজনক না হয় তাহলে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪১ ধারার আওতায় নতুন মামলা রুজু হবে ওমরের বিরুদ্ধে। এখানে অভিযুক্ত হিসেবেই মানা হবে লুলুকে।

তবে এই আইনি প্রক্রিয়া শুরুর আগে ১৬০ ধারার ফৌজদারি মামলাটি বন্ধ করে দিতে হবে। এদিকে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৯৫ ধারার আওতায় আরও একটি মামালা রুজু হয়েছে লুলুর বিরদ্ধে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মামলাটি করেছে ফলকনুমা পুলিশ।

[ad_2]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here