Sunday, October 24, 2021
Homeআন্তর্জাতিক‘মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত হতে পারেন সুচি’

‘মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত হতে পারেন সুচি’

[ad_1]

মিয়ানমারে নিপীড়ন থেকে রক্ষায় রোহিঙ্গাদের পাশে না দাঁড়ানোয় অং সান সু চি মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন বলে মনে করেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত ইয়াংহি লি।

যুক্তরাজ্যের সম্প্রচার মাধ্যম চ্যানেল ফোরকে দেয়া সাক্ষাতকারে ওই বিশেষ দূত ইয়াংহি লি এ কথা বলেছেন। তিনি বলেন, রাখাইন রাজ্যে দেশটির সেনাবাহিনীর ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশন, ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ার দায়ে সুচিকে আন্তর্জাতিক আদালতের মুখোমখি করা যেতে পারে। গত বছরের আগস্ট মাসে রোহিঙ্গা জঙ্গি সংগঠন আরসার হামলায় ১১ জন নিরাপত্তা সদস্য নিহত হওয়ার পর সেনাবাহিনী এই অভিযান শুরু করে।

তিনি বলেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে জানিয়েছিলেন যে মিয়ানমারে আরো গণকবর পাওয়া যাবে। তবে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত আর কিছু জানাননি।

এই গণহত্যায় সুচির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে লি বলেন, আমি মনে করি তিনি (সুচি) বিষয়টি অস্বীকার করছেন অথবা তিনি প্রকৃত ঘটনা থেকে অনেক দূরে রয়েছেন। স্টেট কাউন্সিলর জবাবদিহীতার বাইরে থাকতে পারেন না।

তিনি বিশ্বাস করেন, সহযোগিতা অথবা অভিযান থামাতে অনীহার কারণে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন সুচি। আমিও তাই আশঙ্কা করছি। আমিসহ এশিয়ার প্রত্যেকের জন্য তিনি একজন অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব। তাই বিষয়টি অত্যন্ত হতাশার।

সুচিকে তো গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের দেবী বলে অভিহিত করে এসেছে বিশ্ব। তবে জাতিসংঘের বিশেষ দূত লি বলেন, সুচি কখনোই মানবাধিকারের দেবী ছিলেন না। তিনি একজন রাজনীতিক ছিলেন এবং এখনো তিনি একজন রাজনীতিক।

তবে সুচিকে আন্তর্জাতিক আদালতের মুখোমুখি করার সুযোগ কম বলে মনে করেন লি। তিনি বলেন, কারণ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সদস্য নয় মিয়ানমার। এছাড়া জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য চীন। চীনের বাধার মুখে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অভিযানকে গণহত্যা হিসেবে ঘোষণা দিতে পারবে না নিরাপত্তা পরিষদ।

রাখাইনে কি রোহিঙ্গাদের জাতিগতভাবে নিধনের চেষ্টায় গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে কি না সে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অবশ্যই। গণহত্যা নিরূপনে আইনিভাবে নির্ভূল হতে হবে এবং এটা একটা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে হতে হবে। তাই আমি শুধু এটুকু বলতে পারি, সেখানে গণহত্যার বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

রাখাইনে যে কিছু রোহিঙ্গা নিহতের খবর প্রকাশ হয়েছে তার চেয়ে এই সংখ্যা অনেক বেশি বলে মনে করেন লি।

মিয়ানমার গত বছরের ডিসেম্বরে লির বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্টতার অভিযোগ আনায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ দূত এখন আর দেশটিতে যেতে পারছেন না। সূত্র: সিডনি মনিং হেরাল্ড

[ad_2]

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments