মাল্টা আওয়ামী লীগের যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস পালন।

নাসিম আহমেদ রিয়াদঃ

0
13

আগস্ট এর প্রথম দিক থেকে শুরু হচ্ছে শোকের মাস আগস্ট। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে এ মাসের ১৫ তারিখে সপরিবারে হত্যা করে ঘাতকচক্র। এ দিনটি মানবসভ্যতার ইতিহাসে ঘৃণ্য ও নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের কালিমালিপ্ত বেদনাবিধুর এক শোকের দিন। ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট নরপিশাচরূপী খুনিরা শুধু জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার বন্ধ করতে ঘৃণ্য ইনডেমনিটি আইন জারি করেছিল।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে দীর্ঘ ২১ বছর বাঙালি জাতি বিচারহীনতার কলঙ্ককের বোঝা বহন করতে বাধ্য হয়। ১৯৯৬ সালে জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠিত হলে এ বিচারের উদ্যোগ নেয়া হয়। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে নিয়মতান্ত্রিক বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ২০১০ সালে ঘাতকদের ফাঁসির রায় কার্যকর করার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করেন শেখ হাসিনা।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির স্বাধীনতা ও মুক্তির প্রতীক। বাংলার ইতিহাসের মহানায়ক, স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা, স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা। বাঙালি জাতির পিতা। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি। তিনি চেয়েছিলেন ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের জনগণের মুক্তির যে স্বপ্ন দেখেছিলেন তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যকে জয় করে বিশ্বসভায় একটি উন্নয়নশীল, মর্যাদাসম্পন্ন জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ। সারা বিশ্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল।

১৫ আগস্ট ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম এ হত্যাকাণ্ডে বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসের, জাতির জনকের জ্যেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন শেখ কামাল, দ্বিতীয় পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা লেফটেন্যান্ট শেখ জামাল, কনিষ্ঠ পুত্র শিশু শেখ রাসেল, নবপরিণীতা পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক শেখ ফজলুল হক মণি ও তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বেগম আরজু মণি, স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম সংগঠক ও জাতির জনকের ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার ছোট মেয়ে বেবী সেরনিয়াবাত, কনিষ্ঠ পুত্র আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি সুকান্ত আবদুল্লাহ বাবু, ভাইয়ের ছেলে শহীদ সেরনিয়াবাত, আবদুল নঈম খান রিন্টু, বঙ্গবন্ধুর প্রধান নিরাপত্তা অফিসার কর্নেল জামিল উদ্দিন আহমেদ ও কর্তব্যরত অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী নিহত হন।

আগস্ট মাস বঙ্গবন্ধুর দল আওয়ামী লীগসহ পুরো জাতি পালন করে শোকের মাস হিসেবে। ১৫ আগস্ট বৃস্পতিবার ২০১৯ ইঁ জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে যথাযোগ্য মর্যাদায় মাল্টা আওয়ামী লীগ এক আলোচনা শোক সভা ও দোয়ার আয়েজন করেন. মাল্টা এক অভিজাত হোটেলে। শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এক মিনিট নিরবতা পালন করেন। মাল্টা আওয়ামীলীগ এর ভার প্রাপ্ত সভাপতি জনাব কাজিম আলী স্বপন এর সভপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক জনাব আপেল আমিন কাওছার,মাল্টা আওয়ামীলীগ এর সিনিয়র যুগ্ন সাধারন সম্পাদক জনাব নাজমুল হক এর সন্চালনায় –
বক্তব্য রাখেন : সহ সভাপতি মুন্সী জাকারিয়া,অরুন চন্দ্র কর্মকার , যুগ্ন সাধারন সম্পাদক তপন ঘোষ,সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব দাশ,আসরাফুজ্জামান, এবং প্রধান অতিথী হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের উপদেষ্টা মন্ডলির সভাপতি ডাক্তার এস,বি,দাশ,

প্রধান বক্তা হিসেবে বঙ্গঁবন্ধুর জীবনী নিয়ে আলোচনা করেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক জনাব আপেল আমিন কাউছার , এসময় উপস্তিত সকল নেতৃবুন্দ জাতীয় শোক দিবসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবিতে ফুলের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন

আলোচনা শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় হাফেজ মোহাম্মদ ইব্রাহিম , সকল শহীদের জন্য দোয়া মোনাজাত করেন সকল শহীদের আত্মার শান্তি কামনায়

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here