সপ্তাহের ব্যবধানে দ্বিগুণ কাঁচা মরিচের দাম, মাছ-মাংস,ডিম ও বাড়তি দামে বিক্রি

যমুৃনা ডেস্ক :

0
39

সপ্তাহের ব্যবধানে দ্বিগুণ কাঁচা মরিচের দাম। গত সপ্তাহে যে মরিচ বিক্রি হয়েছে ৬০-৭০ টাকা কেজি, শুক্রবার তা বিক্রি হয়েছে ১২০-১৩০ টাকা। এছাড়া সবজি, মাছ-মাংস ও ডিম গত সপ্তাহের মতো বাড়তি দামেই বিক্রি হয়েছে।

রাজধানীর কারওয়ান বাজার, নয়াবাজার ও রামপুরা কাঁচাবাজার ঘুরে শুক্রবার এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

বাজারে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত সপ্তাহের সোমবার পর্যন্ত কাঁচা মরিচের দাম ছিল ৬০-৭০ টাকা কেজি। যা বৃহস্পতিবার বেড়ে বিক্রি হয় ৮০-৯০ টাকা কেজি। শুক্রবার আরেক দফা বেড়ে বিক্রি হয় ১২০-১৩০ টাকা কেজি।

কারওয়ান বাজারের বিক্রেতা মো. সোনাই আলী বলেন, গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে মরিচের অনেক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া রাজধানীর বাজারেও সরবরাহ অনেক কমে গেছে। পাইকাররা বলছেন, বেশি দাম দিয়ে কাঁচা মরিচ আনতে হচ্ছে। যার কারণে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। ফলে আমাদের মতো খুচরা বিক্রেতারাও পাইকারি বিক্রেতাদের কাছ থেকে বেশি দামে এনে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। এজন্য বাজারে একটু দাম বেশি।

এদিন রাজধানীর বাজারগুলোতে সব ধরনের সবজি গত সপ্তাহের মতো বাড়তি দরে বিক্রি হয়েছে। বাজার ঘুরে ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুক্রবার পটোল বিক্রি হয়েছে ৪০-৫০ টাকা কেজি, করলা ৫৫-৬০ টাকা, কাঁকরোল ৪৫-৫০ টাকা, বেগুন ৪০-৫০ টাকা কেজি।

তবে রাজধানীর নয়াবাজারে বেগুন ৫০-৬০ টাকা দরে বিক্রি করে বিক্রি করতে দেখা গেছে। এছাড়া ঢেঁড়স বিক্রি হয়েছে ৪৫-৫০ টাকা, বরবটি ৬০-৭০ টাকা কেজি, শসা বিক্রি হয়েছে ৮০-৯০ টাকা, টমেটো ১০০-১১০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে।

এ দিন গত সপ্তাহের মতো বাড়তি দামেই দেশি রসুন বিক্রি হয়েছে ১১০-১২০ টাকায়। যা দুই সপ্তাহ আগে ৯০-১০০ টাকায় বিক্রি হয়। চীনা আদা বিক্রি হয়েছে ১৪০-১৪৫ টাকা এবং দেশি আদা বিক্রি হয়েছে ১৮০-২০০ টাকা কেজি। প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৪২-৪৫ টাকায়।

চিনি বিক্রি হয়েছে ৫৫-৫৬ টাকা কেজি। ভোজ্যতেলের মধ্যে খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার বিক্রি হয়েছে ৮০-৮২ টাকা।

গত সপ্তাহের মতো শুক্রবার সব ধরনের মাছ চড়া দামে বিক্রি হয়েছে। প্রতি কেজি তেলাপিয়া ১৪০-১৬০ টাকা, পাঙ্গাশ ১৬০-১৭০ টাকা, রুই ৩৫০-৬০০ টাকা, পাবদা ৬০০-৭০০ টাকা, টেংরা ৭০০-৭৫০ টাকা, শিং ৪০০-৫৫০, বোয়াল ৫০০-৮০০ ও চিতল মাছ ৫০০-৮০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে।

এছাড়া প্রতি কেজি গরুর মাংস ৫২৫-৫৫০ টাকা, খাসি ৭৫০-৮৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। আকারভেদে কক মুরগি প্রতিটি ১৯০-২৮০ টাকা, দেশি মুরগি প্রতি পিস ৩৫০-৪৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বাজারে প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হয়েছে ১১০-১১৫ টাকায়।

রাজধানীর নয়াবাজারে নিত্যপণ্য কিনতে আসা আজিজুল ইসলাম বলেন, বাজারে সব পণ্যের দাম বেশি। কয়েক সপ্তাহ ধরে পণ্যের দাম কমছে না। নতুন করে আবার কাঁচামরিচের দাম বেড়েছে। বাজার তদারকি সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে বিশেষভাবে নজরদারি করতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here