সিরিয়ায় সাত বছরেও থামেনি মৃত্যুর মিছিল

[ad_1]

সাত পেরিয়ে আট বছরে পড়েছে সিরিয়া যুদ্ধ। সাড়ে তিন লাখের বেশি মৃত্যু এবং প্রায় সমান সংখ্যক গৃহহীন মানুষের দুর্ভোগ। অগণিত আহতের আর্তনাদ আর ক্ষুধার্তের লম্বা সারি। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের মাধ্যমে শুরু হওয়া আসাদ বিরোধী আন্দোলনের বর্তমান অবস্থা। স্বরণকালের ভয়াবহ গৃহযুদ্ধে পরিণত হয়েছে সিরিয়া সংঘাত।

sir

সেখানে মৃত্যুর মিছিল যেন থামছেই না। সংঘাতের কারণে বহু মানুষ নিজেদের ঘর-বাড়ি হারিয়েছে, ফলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় শরণার্থী সঙ্কট তৈরি হয়েছে। অর্থনৈতিক সমস্যা ও স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত জনগণ আসাদ সরকারের প্রতি বিক্ষোভ শুরু করে। ২০১১ সালে সরকার বিরোধী বিক্ষোভে আসাদ বাহিনী বিক্ষোভকারীদের প্রতিহত করে। সরকারি বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে সে সময় কয়েকশ মানুষ নিহত হয়। বহু মানুষকে আটকও করা হয়। পুরো সিরিয়াতেই সে সময় আসাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে। সে সময় আসাদ বাহিনী ছাড়াও বিভিন্ন বিদ্রোহী গ্রুপ ও সন্ত্রসী গোষ্ঠী এ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।

 

sriya-2পরবর্তীতে আসাদ সরকারের পক্ষে-বিপক্ষে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র জড়িয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে। যার ফলশ্রুতিতে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সাত বছরে ভয়াবহ যুদ্ধে পরিণত হয়েছে। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, সিরিয়ায় কয়েক বছরের যুদ্ধ-সংঘাতে ৪ লাখ মানুষ নিহত হয়েছে। সিরিয়ায় প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠীই নিজেদের বাড়ি-ঘর হারিয়ে বাস্তুহারা হয়ে পড়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে সিরিয়ার প্রায় ৫৫ লাখ মানুষ অন্য দেশে আশ্রয় নিয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় আটকা পড়েছেন প্রায় ৪ লাখ বেসামরিক নাগরিক। দেশটির প্রায় ১ কোটি শিশুর জরুরি সহায়তা প্রয়োজন।

syria_1433

প্রায় ৬০ লাখ শিশু যুদ্ধ-সংঘাতে বাস্তুহারা হয়ে পড়েছে বা শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে। প্রায় ২৫ লাখ শিশু স্কুল ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছে। ২০১৭ সালে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিরিয়ার প্রায় এক তৃতীয়াংশ আবাসস্থল এবং অর্ধেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসা কেন্দ্র ধ্বংষ হয়ে গেছে।

[ad_2]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here