নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচনের যোগ্যতা হারিয়েছে : আসিফ মাহমুদ
নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের যোগ্যতা হারিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে পারবে না। প্রচলিত আইন অমান্য করে প্রার্থীদের বৈধতা দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে এনসিপি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নাটকীয়ভাবে রায় দেওয়া হয়েছে। একটা মব সৃষ্টি করা হয়েছে কমিশনের বাইরে। এমনকি রায় দেওয়ার পূর্ব মুহূর্তে বিচারক অপরাধীর পক্ষের লোকজনের সঙ্গে বৈঠক করে এসে রায় দিলে এটা নিরপেক্ষ হতে পারে না। বিএনপি মহাসচিবসহ ৫ সদস্যের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করে এসে রায় দিয়েছেন। পার্টির সঙ্গে বসে রায় দিচ্ছেন, এটা একপাক্ষিক রায় হয়েছে। দ্বৈত নাগরিক ও ঋণখেলাপিদের ছাড় দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের ওপর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের কনফিডেন্স এনসিপি পাচ্ছে না। নির্বাচনে আমরা অংশ নেবো কিনা, এটাও ভাবতে হবে। আমরা সবার সঙ্গে কথা বলে রাজপথে নামবো কিনা, তাও সিদ্ধান্ত নেবো। আইনি পদক্ষেপ নেবো ও লড়াই চালিয়ে যাবো।
জামায়াতের ৩ জন প্রার্থীর হলফনামা অসম্পূর্ণ থাকায় প্রার্থিতা বাতিলের কথা বললেও বিএনপির প্রায় ২০ জন প্রার্থীর একই সমস্যায় আবারও রিভিউয়ের উদ্যোগ নিচ্ছে। এটার কোনো সুযোগ নেই। আগামীকাল প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করবো, আমাদের স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবো। এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করতে হবে।
কমিশনের প্রতি অভিযোগ এনে আসিফ বলেন, নির্বাচন কমিশন সংবিধানের বাইরে গিয়ে দ্বৈত নাগরিকদের পার পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। বিএনপির ২০ জনের অধিক প্রার্থী দ্বৈত নাগরিক। তাদের সবার মনোনয়ন বাতিল হওয়ার কথা ছিল। শেষের দিকের রায়গুলো একরোখা। বিপজ্জনক আইনি পথ তৈরি করছে নির্বাচন কমিশন। প্রার্থীরা নির্বাচিত হলেও তাদের পদ থেকে অপসারণ করা সম্ভব। অনেক দ্বৈত নাগরিক তথ্য গোপন করেছেন। নির্বাচন কমিশন পার পাওয়ার জন্য অনেকেই জাল-জালিয়াতি করেছেন বলে মনে করি।
What's Your Reaction?

