নন্দীগ্রাম উপজেলা ও পৌর বিএনপির সাবেক দুই সভাপতির বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার
নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্তে বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান একে আজাদ এবং উপজেলা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক মেয়র কামরুল হাসান সিদ্দিকী জুয়েলের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের প্রতিক্রিয়ায় একে আজাদ বলেন, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ২০১৯ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের কারণে আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন পর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হওয়ায় আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জানাচ্ছি। ভবিষ্যতে দলের সকল নির্দেশনা মেনে কাজ করবো।
অপরদিকে কামরুল হাসান সিদ্দিকী জুয়েল বলেন, প্রায় ১৫ বছর পর দলে ফিরতে পেরে আমি আনন্দিত। বগুড়া-৪ আসনের বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোশারফ হোসেনের সুপারিশে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হওয়ায় তাকে ধন্যবাদ জানাই। আগামী দিনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বকে শক্তিশালী করতে এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে দলীয় নির্দেশনা মেনে সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবো।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন এবং এতে দলীয় কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে বলে মনে করছেন।
এ বিষয়ে বগুড়া জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক, বগুড়া-৪ আসনের বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন বলেন, নন্দীগ্রাম উপজেলা ও পৌর বিএনপির সাবেক দুই সভাপতির বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের বিজ্ঞপ্তির কপি হাতে পেয়েছি। পুরোনো ও নতুন নেতাকর্মীদের একত্রে নিয়ে সাংগঠনিক ঐক্য জোরদার করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, একে আজাদ ও কামরুল হাসান সিদ্দিকী জুয়েলের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের জন্য তিনি সুপারিশ করেছিলেন এবং সেই সুপারিশের প্রেক্ষিতেই কেন্দ্রীয় কমিটি এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
What's Your Reaction?

