যুক্তরাষ্ট্রকে ২০ শতাংশ শুল্ক কমানোর প্রস্তাব জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর) রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রকে পারস্পরিক শুল্ক ২০ শতাংশ কমানোর প্রস্তাব দেন খলিলুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে ওয়াশিংটন ডিসিতে তিনি এ সাক্ষাৎ করেন। ওই সময় বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর ক্ষেত্রে অগ্রগতির বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হওয়ার আগেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে উল্লেখযোগ্য হারে আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ।’
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এসব তথ্য জানায়। ড. খলিলুর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেছেন।
বৈঠকে ড. খলিলুর রহমান প্রস্তাব দেন, চলতি ২০ শতাংশ পারস্পরিক শুল্ক কমিয়ে দেওয়া হোক। রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ার প্রস্তাবটি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করার আশ্বাস দেন। এছাড়া যে সব পোশাকে মার্কিন কাঁচামাল বা উপকরণ ব্যবহার করা হয়, সেগুলোর ওপর শুল্ক কমানো বা প্রত্যাহারের প্রস্তাবও গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে বলে উভয় পক্ষ একমত হন।
বৈঠকে দুই পক্ষ পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি দ্রুত চূড়ান্ত ও বাস্তবায়নের জন্য অমীমাংসিত বিষয়গুলো সমাধান করার বিষয়েও একমত হয়েছেন। ড. খলিলুর রহমান বলেন, বাণিজ্য বৃদ্ধির ফলে আগামী দিনে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।
এছাড়া ড. খলিলুর রহমান মার্কিন ‘ভিসা বন্ড’-এ বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করার পর ব্যবসায়িক ভ্রমণ সহজ করার উদ্যোগ নিতে রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ার কাছে আহ্বান জানান। তিনি বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের জন্য ডেভেলপমেন্ট ফিন্যান্স কর্পোরেশন (ডিএফসি) তহবিল প্রাপ্তির অনুরোধও করেন। রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ার এসব বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
বৈঠকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম এবং মার্কিন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।শুক্রবার ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরও বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
What's Your Reaction?

