সিলেটকে হারিয়ে ফের শীর্ষে চট্টগ্রাম
জয়ের জন্য শেষ দুই ওভারে সিলেট টাইটান্সের দরকার ছিল ৪২ রান, হাতে ছিল মাত্র একটি উইকেট। ম্যাচের এমন অবস্থায় শেষ উইকেটে ব্যাট হাতে ঝড় তুললেন খালেদ আহমেদ। কিন্তু তার ৯ বলে ২৫ রানের ঝোড়ো ইনিংসের পরও জয়ের দেখা পেল না সিলেট। ১৪ রানের রুদ্ধশ্বাস জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে এসেছে চট্টগ্রাম রয়্যালস।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বুধবার (৭ জানুয়ারি) টস জিতে ব্যাট করতে নেমে চট্টগ্রাম ২০ ওভারে তোলে ১৯৮ রান-এবারের আসরের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। বিস্ময়করভাবে এই ইনিংসে কোনো ফিফটি না থাকলেও সম্মিলিত ও কার্যকর ব্যাটিংয়ে বড় পুঁজি গড়ে দলটি।
ইংলিশ ওপেনার অ্যাডাম রসিংটন মাত্র এক রানের জন্য বিপিএলে টানা চার ম্যাচে ফিফটির অনন্য কীর্তি থেকে বঞ্চিত হন। ৩৮ বলে ৪৯ রানের ইনিংসে ছিল পাঁচটি চার ও একটি ছক্কা। মাহমুদুল হাসান জয় ২১ বলে ৪৪ রানের ঝোড়ো ক্যামিও খেলেন, আর শেখ মেহেদি হাসান শেষ দিকে ব্যাট হাতে ঝলক দেখিয়ে শেষ তিন ওভারে একাই করেন ৩৩ রান।
রান তাড়ায় শুরুতেই ধাক্কা খায় সিলেট। পারভেজ হোসেন ইমন দ্রুত ফেরার পর তৌফিক খান তুষার ও আফিফ হোসেন কিছুটা লড়াই গড়ার চেষ্টা করেন। তবে পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে আমির জামালের জোড়া আঘাতে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। আফিফ ৩৩ বলে ৪৬ রান করে ফিরলে সিলেটের আশা অনেকটাই ম্লান হয়ে যায়।
মধ্য ওভারে মইন আলি ও আজমাতউল্লাহ ওমারজাই ব্যর্থ হলে ব্যবধান বড় হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়। সেখান থেকে দশ নম্বরে নেমে সৈয়দ খালেদ আহমেদ ৯ বলে ২৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন, তিনটি ছক্কায় ব্যবধান কিছুটা কমান। তবে ততক্ষণে ম্যাচ হাতছাড়া।
বল হাতে দুর্দান্ত ছিলেন আমির জামাল। আগের তিন ম্যাচে তিন উইকেট নেওয়া এই পেসার একাই চার উইকেট শিকার করে সিলেটের রান তাড়ায় বড় বাধা হয়ে দাঁড়ান।
এই জয়ে ছয় ম্যাচে আট পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে উঠল চট্টগ্রাম রয়্যালস। এক ম্যাচ কম খেলেও সমান পয়েন্ট নিয়ে রান রেটে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে রংপুর রাইডার্স। অন্যদিকে সাত ম্যাচে চতুর্থ হার নিয়ে টুর্নামেন্টে চাপে পড়ল সিলেট টাইটান্স।
What's Your Reaction?

